শীতের সকাল। তানিমের একটুও ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছে করছিল না। তারপরও উঠতে হলো। সকাল সকাল জগিং করার জন্য বের হতে হবে।খুব বেশিদুর নয় বাড়ির পাশেই পার্ক। পার্কে অনেকেই জগিং করতে আসে। বাবার ট্রান্সফার হয়ে এ শহরে আসার পরও কখনো সকাল সকাল পার্কে যাওয়া হয়নি তানিমের।
পার্কের চারদিকে দুইপাক দৌড়িয়েই হাঁপিয়ে উঠলো তানিম। একটা বসার জায়গায় বসে রেস্ট নেওয়ার সময় চিন্তা করছিল এই ভেবে যে, নাটক সিনেমায় দেখেছে জগিং করতে এসে অনেকের সাথে ধাক্কা লেগে প্রেম পর্যন্ত হয়ে যায়। এখানে কারো সাথে ধাক্কা লাগা তো দুরের কথা একটা মেয়েও এ পর্যন্ত দেখতে পাওয়া গেল না!
দৌড়াদৌড়ি শেষে বাসায় ফিরছিল তানিম। বাসায় ফেরার প্রথম গলিটায় আসতেই সে কুয়াশার ঝাপসা আলোয় দেখতে পেল একটা ছোট ছেলে তিনতলা একটা বাসার সামনে লাফালাফি করছে।
কাছে এসে দেখতে পেল বাচ্চাটা কলিংবেলের সামনে লাফাচ্ছে। কিন্তু কিছুতেই তা নাগাল পাচ্ছে না!
আশেপাশে কেউ নেই। তানিম বাচ্চাটার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো, 'বাসায় ঢুকবে? কলিংবেল টিপতে পারছো না?' বাচ্চাটা হ্যাঁসুচক মাথা নাড়লো। তানিম কলিংবেল টিপে দাঁড়িয়ে রইল।
কিছুক্ষণ পর ঘুমুঘুমু চোখে এক মেয়ে বের হয়ে আসলো। এসেই জানতে চাইলো, 'কে আপনি? কাকে চাই?' তানিম পেছেনের বাচ্চাটার দিকে ইশারা করে বললো, 'আমি না! এই ছেলেটা' মেয়েটা পিছনের দিকে উকি দিয়ে দেখলো, 'কই? কোন ছেলে? এখানে তো আপনি বাদে আর কাউকেই দেখছিনা!" তানিম পিছনে তাকালো। কিন্তু এই সময়ের মধ্যেই বাচ্চাটা লাপাত্তা। আশেপাশে কোথাও নেই!
তানিম আমতা আমতা করে বললো, 'এএএখানেই তোতত ছিল!'' আমাকে বোকা পয়েছেন? দেখে তো ভদ্র ছেলেই মনে হচ্ছে! হাতের সামনে কলিংবেল দেখলেই টিপতে হবে না?' মেয়েটির কথায় ঝাঝালো আওয়াজ। তানিম প্রচন্ড অসস্তুিতে ভুগছে। মনে মনে বলছে, 'শালার পিচ্চিরে তোরে যদি আজ পাইতাম...এক্কেরে....' এখান থেকে বের হতে হবে। অযথা মেয়েটার ঝাড়ি খাওয়া একদম ভাল লাগছে না।
হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে কয়েকটা কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে করতে এদিকে ছুটে আসছিল। এদিক থেকে আরেকটা কুকুর দৌড়ে গিয়ে জটলা বাধালো। তারপর সবগুলো কুকুর দৌড়ে তাদের দিকে ছুটে আসছিল।
ঘটনার আকস্মিকতায় তানিম কিছুই বুঝে উঠতে পারে না। হাত পা ছুড়ে দৌড় দেওয়ার মতো সময়ও ছিল না। কিছুক্ষণ পর সে নিজেকে আবিস্কার করলো এভাবে, কেউ একজন তার বাহুডোরে জ্যাকেটের নিচে মাথা লুকিয়ে আছে। ততক্ষনে কুকুরগুলো চলে গেছে।
তানিম মনে মনে বললো, 'যাক, কুকুর থেকে যদি দারুন কিছু হয় তবে কুকুরই ভালো!'
পার্কের চারদিকে দুইপাক দৌড়িয়েই হাঁপিয়ে উঠলো তানিম। একটা বসার জায়গায় বসে রেস্ট নেওয়ার সময় চিন্তা করছিল এই ভেবে যে, নাটক সিনেমায় দেখেছে জগিং করতে এসে অনেকের সাথে ধাক্কা লেগে প্রেম পর্যন্ত হয়ে যায়। এখানে কারো সাথে ধাক্কা লাগা তো দুরের কথা একটা মেয়েও এ পর্যন্ত দেখতে পাওয়া গেল না!
দৌড়াদৌড়ি শেষে বাসায় ফিরছিল তানিম। বাসায় ফেরার প্রথম গলিটায় আসতেই সে কুয়াশার ঝাপসা আলোয় দেখতে পেল একটা ছোট ছেলে তিনতলা একটা বাসার সামনে লাফালাফি করছে।
কাছে এসে দেখতে পেল বাচ্চাটা কলিংবেলের সামনে লাফাচ্ছে। কিন্তু কিছুতেই তা নাগাল পাচ্ছে না!
আশেপাশে কেউ নেই। তানিম বাচ্চাটার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো, 'বাসায় ঢুকবে? কলিংবেল টিপতে পারছো না?' বাচ্চাটা হ্যাঁসুচক মাথা নাড়লো। তানিম কলিংবেল টিপে দাঁড়িয়ে রইল।
কিছুক্ষণ পর ঘুমুঘুমু চোখে এক মেয়ে বের হয়ে আসলো। এসেই জানতে চাইলো, 'কে আপনি? কাকে চাই?' তানিম পেছেনের বাচ্চাটার দিকে ইশারা করে বললো, 'আমি না! এই ছেলেটা' মেয়েটা পিছনের দিকে উকি দিয়ে দেখলো, 'কই? কোন ছেলে? এখানে তো আপনি বাদে আর কাউকেই দেখছিনা!" তানিম পিছনে তাকালো। কিন্তু এই সময়ের মধ্যেই বাচ্চাটা লাপাত্তা। আশেপাশে কোথাও নেই!
তানিম আমতা আমতা করে বললো, 'এএএখানেই তোতত ছিল!'' আমাকে বোকা পয়েছেন? দেখে তো ভদ্র ছেলেই মনে হচ্ছে! হাতের সামনে কলিংবেল দেখলেই টিপতে হবে না?' মেয়েটির কথায় ঝাঝালো আওয়াজ। তানিম প্রচন্ড অসস্তুিতে ভুগছে। মনে মনে বলছে, 'শালার পিচ্চিরে তোরে যদি আজ পাইতাম...এক্কেরে....' এখান থেকে বের হতে হবে। অযথা মেয়েটার ঝাড়ি খাওয়া একদম ভাল লাগছে না।
হঠাৎ বিপরীত দিক থেকে কয়েকটা কুকুর ঘেউ ঘেউ করতে করতে এদিকে ছুটে আসছিল। এদিক থেকে আরেকটা কুকুর দৌড়ে গিয়ে জটলা বাধালো। তারপর সবগুলো কুকুর দৌড়ে তাদের দিকে ছুটে আসছিল।
ঘটনার আকস্মিকতায় তানিম কিছুই বুঝে উঠতে পারে না। হাত পা ছুড়ে দৌড় দেওয়ার মতো সময়ও ছিল না। কিছুক্ষণ পর সে নিজেকে আবিস্কার করলো এভাবে, কেউ একজন তার বাহুডোরে জ্যাকেটের নিচে মাথা লুকিয়ে আছে। ততক্ষনে কুকুরগুলো চলে গেছে।
তানিম মনে মনে বললো, 'যাক, কুকুর থেকে যদি দারুন কিছু হয় তবে কুকুরই ভালো!'

Comments
Post a Comment