Skip to main content

Posts

মেক-আপ সুন্দরী

মেয়ে তুমি সুন্দরী কপালের মাঝখানের ছোট্ট তিলে, তুমি সুন্দরী কানের নিচে দুলতে থাকা ঝুমকো দুলে! মেয়ে তুমি সুন্দরী চোখে দেওয়া হালকা কালো কাজলে, তুমি সুন্দরী খোপায় গুঁজে দেওয়া ফুটন্ত জবা ফুলে! মেয়ে তুমি সুন্দরী কুঁচি দিয়ে পরা নীল শাড়ির ভাজে, তুমি সুন্দরী খোলা চুলে উড়িয়ে দেওয়া ঘ্রাণের মাঝে! মেয়ে তুমি সুন্দরী আড়চোখের বাঁকা চাহনীতে, তুমি সুন্দরী পাগল করা মুচকি মুচকি হাসিতে! জানতে চাওনা মেয়ে তুমি অসুন্দরী কীসে? তুমি অসুন্দরী গালে মেক-আপ দেওয়া বিষে!

জুতা কাহিনী

যে বাড়িতে পড়াই সেটা ছয় তলা বিল্ডিং। উপরে উঠার সিঁড়ি টাইলস করা চকচকে পরিষ্কার।  জুতা পায়ে উপরে উঠা নিষেধ। সিঁড়ির নিচে জুতা রাখার স্ট্যান্ড রয়েছে। প্রতিদিনের মত স্ট্যান্ডে জুতা রেখে উপরে গিয়ে পড়ালাম। পড়িয়ে শেষ করে নিচে নেমেই বাঁধলো বিপত্তি। আমার জুতোজোড়ার একটা আছে, আরেকটা উধাও! উধাও বলতে আমার একটা আর অন্য একজোড়া জুতোর একটা! প্রায় আড়াই বছর থেকে এখানে পড়াচ্ছি। কোনোদিন তো এমন হয়নি! স্ট্যান্ডে প্রায় ২০/২৫ জোড়া জুতা চেক করলাম! নাহ! আমার পায়ের আরেকটা কোথাও পেলাম না। চিন্তা করলাম এই আলাদা আলাদা জুতা পরেই চলে যাবো নাকি যাবো না? কী করা উচিত! কেউ হয়তো ভুল করেও পায়ে দিয়ে বের হতে পারে! এভাবে না জানিয়ে গেলে সেও তো বিপাকে পড়বে। লজ্জা ভুলে আন্টিকে ডেকে আনলাম। সাথে স্টুডেন্টও আসলো এবং তন্নতন্ন করে খুঁজে দেখলো। কিন্তু পেল না অপরটা। আন্টি লজ্জিত হয়ে বললেন, 'এমন তো কখনো হয় না। তুমি ওগুলো পরেই যাও আজকে। আমি বাড়ির মালিককে বলে সিসি ক্যামেরা চেক করে দেখবো।' মন খারাপ করে রুমে আসলাম। রুমে আসার পরেই রুমমেট এর ঝাড়ি, 'ভাই এটা কী করছেন? আমার পায়ের একটা জুতা পরে চলে গেছেন! আমার যাওয়ার কথা ছিল এক...

পড়াবেন নাকি থাপড়াবেন!

ডিসেম্বরের শেষের দিকের এক শীতের সকাল, চারদিকে কুয়াশায় মোড়ানো হাড় কাঁপানো শীত। চক্ষুলজ্জার ভয়ে চারদিকে আলো ফোটার আগেই হাতে কয়েকটা ফটোকপির কাগজ, গামের কৌটা নিয়ে এক বন্ধুর সাইকেলে চেপে গোটা রাজশাহী শহরের প্রতিটা সরকারি স্কুলের সামনের বৈদ্যুতিক খুঁটির পিলার ও দেয়ালে সেঁটে দিয়েছিলাম, "বাসায় গিয়ে পড়ানো হয়"। সময়টা ছিল ২০১১। তারপর কেটে গেছে ৭ টি বছর। সেদিনের পর আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি! নতুন যারা টিউশনি করাতে চাচ্ছেন, হয়তো অনেকেই উমুক বড় ভাইকে বলে রেখেছেন, তমুক আত্মীয়কে বলে রেখেছে। তারা সবাই আশ্বস্ত করেছে আপনাকে টিউশনি দিবে বলে। কিন্তু তারা দিয়েই যাচ্ছেন, কোনো খোঁজখবর নাই! ওই সময়টাতে আমার টিউশনি না হলে শহরে টিকে থাকা মুশকিল ছিল। যে কোনো উপায়ে আমার একটা টিউশনি যোগাড় করার দরকার ছিল। শেষ পর্যন্ত নিজেই মাঠে নেমে পড়েছিলাম। আপনার যদি প্রবল ইচ্ছা থাকে তাহলে আপনিও এই পন্থা বেছে নিতে পারেন। যে কোনো উপায়ে যদি একবার শুরু করতে পারেন তাহলে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। ওই একটা ভাল করে পড়াতে পারলে ওখান থেকেই একটার পর একটা অফার পেতে থাকবেন। জীবনের স্ট্রাগল পিরিয়ডের সময়ে কেউ আপনার পথট...