ডিসেম্বরের শেষের দিকের এক শীতের সকাল, চারদিকে কুয়াশায় মোড়ানো হাড় কাঁপানো শীত। চক্ষুলজ্জার ভয়ে চারদিকে আলো ফোটার আগেই হাতে কয়েকটা ফটোকপির কাগজ, গামের কৌটা নিয়ে এক বন্ধুর সাইকেলে চেপে গোটা রাজশাহী শহরের প্রতিটা সরকারি স্কুলের সামনের বৈদ্যুতিক খুঁটির পিলার ও দেয়ালে সেঁটে দিয়েছিলাম, "বাসায় গিয়ে পড়ানো হয়"। সময়টা ছিল ২০১১। তারপর কেটে গেছে ৭ টি বছর। সেদিনের পর আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি!
নতুন যারা টিউশনি করাতে চাচ্ছেন, হয়তো অনেকেই উমুক বড় ভাইকে বলে রেখেছেন, তমুক আত্মীয়কে বলে রেখেছে। তারা সবাই আশ্বস্ত করেছে আপনাকে টিউশনি দিবে বলে। কিন্তু তারা দিয়েই যাচ্ছেন, কোনো খোঁজখবর নাই!
ওই সময়টাতে আমার টিউশনি না হলে শহরে টিকে থাকা মুশকিল ছিল। যে কোনো উপায়ে আমার একটা টিউশনি যোগাড় করার দরকার ছিল। শেষ পর্যন্ত নিজেই মাঠে নেমে পড়েছিলাম। আপনার যদি প্রবল ইচ্ছা থাকে তাহলে আপনিও এই পন্থা বেছে নিতে পারেন।
যে কোনো উপায়ে যদি একবার শুরু করতে পারেন তাহলে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। ওই একটা ভাল করে পড়াতে পারলে ওখান থেকেই একটার পর একটা অফার পেতে থাকবেন।
জীবনের স্ট্রাগল পিরিয়ডের সময়ে কেউ আপনার পথটা মসৃণ করে দিবে না, নিজের রাস্তা নিজেকেই তৈরি করে নিতে হয়।
যদিও খুবই কম ফোন আসে ওসব বিজ্ঞাপন থেকে। তারপরও একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। যদি একবার একটা ফোন আসে! খুলে যেতে পারে ভাগ্যের চাকা।
দেয়ারে বিজ্ঞাপন দেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটা বিষয়ের দিকে আপনাকে অবশ্যই মনোযোগ দিতে হবে। আপনার পোস্টারে যাতে কোনো ভুল বানান না থাকে। সেটা কম্পিউটারে কম্পোজ করার আগে বার বার চেক করে নিবেন। আপনি নিজেই যদি বানান ভুল করেন তাহলে স্টুডেন্টকে কী শেখাবেন? বানান ভুল থাকলে আপনার কাছে কল যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। পোস্টার লাগাতে পারেন সরকারি-বেসরকারি স্কুল বা কলেজের সামনে। যাতে অবিভাবদের নজরে আসে। যেসব দেয়ালে পোস্টার লাগানো নিষেধ সেখানে পোস্টার লাগাবেন না ভুলেও।
আর আমরা যারা সাধারণ জনগণ আছি তাদেরকে বলছি দয়া করে, "বাসায় গিয়ে পড়ানো হয়" পোস্টারের 'পড়ানো' শব্দটার আগে যত্ন করে 'থা' শব্দটা না লিখে দিই। একজন ছেলে বা মেয়ে অনেক অনেক অর্থকষ্টে ভোগার পর অনেক কষ্ট করে বুকভরা আশা নিয়ে পোস্টারটা লাগায়। তাদের জায়গায় আপনি না থাকলে সেই কষ্টটা কখনোই উপলব্ধি করতে পারবেন না। তাদের আশাটা এভাবে ধুলিসাৎ করবেন না।
নতুন যারা টিউশনি করাতে চাচ্ছেন, হয়তো অনেকেই উমুক বড় ভাইকে বলে রেখেছেন, তমুক আত্মীয়কে বলে রেখেছে। তারা সবাই আশ্বস্ত করেছে আপনাকে টিউশনি দিবে বলে। কিন্তু তারা দিয়েই যাচ্ছেন, কোনো খোঁজখবর নাই!
ওই সময়টাতে আমার টিউশনি না হলে শহরে টিকে থাকা মুশকিল ছিল। যে কোনো উপায়ে আমার একটা টিউশনি যোগাড় করার দরকার ছিল। শেষ পর্যন্ত নিজেই মাঠে নেমে পড়েছিলাম। আপনার যদি প্রবল ইচ্ছা থাকে তাহলে আপনিও এই পন্থা বেছে নিতে পারেন।
যে কোনো উপায়ে যদি একবার শুরু করতে পারেন তাহলে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। ওই একটা ভাল করে পড়াতে পারলে ওখান থেকেই একটার পর একটা অফার পেতে থাকবেন।
জীবনের স্ট্রাগল পিরিয়ডের সময়ে কেউ আপনার পথটা মসৃণ করে দিবে না, নিজের রাস্তা নিজেকেই তৈরি করে নিতে হয়।
যদিও খুবই কম ফোন আসে ওসব বিজ্ঞাপন থেকে। তারপরও একবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। যদি একবার একটা ফোন আসে! খুলে যেতে পারে ভাগ্যের চাকা।
দেয়ারে বিজ্ঞাপন দেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটা বিষয়ের দিকে আপনাকে অবশ্যই মনোযোগ দিতে হবে। আপনার পোস্টারে যাতে কোনো ভুল বানান না থাকে। সেটা কম্পিউটারে কম্পোজ করার আগে বার বার চেক করে নিবেন। আপনি নিজেই যদি বানান ভুল করেন তাহলে স্টুডেন্টকে কী শেখাবেন? বানান ভুল থাকলে আপনার কাছে কল যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। পোস্টার লাগাতে পারেন সরকারি-বেসরকারি স্কুল বা কলেজের সামনে। যাতে অবিভাবদের নজরে আসে। যেসব দেয়ালে পোস্টার লাগানো নিষেধ সেখানে পোস্টার লাগাবেন না ভুলেও।
আর আমরা যারা সাধারণ জনগণ আছি তাদেরকে বলছি দয়া করে, "বাসায় গিয়ে পড়ানো হয়" পোস্টারের 'পড়ানো' শব্দটার আগে যত্ন করে 'থা' শব্দটা না লিখে দিই। একজন ছেলে বা মেয়ে অনেক অনেক অর্থকষ্টে ভোগার পর অনেক কষ্ট করে বুকভরা আশা নিয়ে পোস্টারটা লাগায়। তাদের জায়গায় আপনি না থাকলে সেই কষ্টটা কখনোই উপলব্ধি করতে পারবেন না। তাদের আশাটা এভাবে ধুলিসাৎ করবেন না।

Comments
Post a Comment